
বান্দরবান প্রতিনিধি
তৌহিদুর রহমান চৌধুরি রাশেদ বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি(২০১০-২০১৫),
ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচতি হওয়ার আগে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিল না,১৯৯৯ সালে সামাজিক সংগঠন শাপলা কুঁড়ির আসরের মাধ্যমে রাজনীতির সাথে সমপৃক্ততা,
২০১০ সালে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে রাজাকার পরিবারের সন্তান হওয়া সত্বেও সভাপতি নির্বাচিত হয়, এরপর থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লা,জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষী পদ দাশ,জেলাপরিষদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর সহ বিতর্কিত নেতাদের সাথে সিন্ডিকেট করে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যায়, এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকার উপরে ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেয়, ক্ষমতার জোর দেখিয়ে সুয়ালক ইউনিয়নের বিএনপি কর্মীর জায়গা দখল সহ বিভিন্ন অপকর্মে নেতৃত্ব দেয় রাশেদ চৌধুরি, আওয়ামী চাচা আইয়ুব চৌধুরী ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়াসহ আওয়ামী লীগের সাথে বিভিন্ন সময় বিশ্বাসঘাতকতার কারনে বহিষ্কার হয়।
রাশেদ চৌধুরির সম্পদ
*জেলা শহরের অভিজাত সেগুন বাগিচা এলাকায় ৩ কোটি টাকার জায়গা কিনে আলিশান পাঁচতলা ভবন নির্মাণ।
*শহরের ব্রিগেড এলাকায় ৪ কোটি টাকার জায়গা,
*পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সিদ্দিক নগর এলাকায় ৫ কোটি টাকার জায়গা,
*পৌরসভার ৯ নং ওয়াডে যৌথ খামার এলাকায় ২ কোটি টাকার জায়গা,
*বান্দরবান সদর উপজেলার যৌথ খামার এলাকায় কোটি টাকার খামার বাড়ি,
*সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নে বিএনপি কর্মীর কোটি টাকার জায়গা দখলসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অঢেল সম্পত্তির মালিক রাশেদ চৌধুরি,
*ঠিকাদার কল্যান সমিতির জায়গা নিজ নামে আত্মসাৎ
*বোন সহ নিজ আত্মীয় স্বজনদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও চাকরি নিয়োগ বানিজ্যের নামে বহু অর্থ আত্মসাৎ
*দাদা মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ৭১ সালে বান্দরবান জেলার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম প্রধান ব্যাক্তি ছিল।